1. admin@lakshmipurdiganta.com : dipu :
  2. mostaqlp@gmail.com : লক্ষ্মীপুর দিগন্ত : লক্ষ্মীপুর দিগন্ত
  3. shafaatmahmud4@gmail.com : Shafaat Mahmud : Shafaat Mahmud
শিরোনাম :
রায়পুরে আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষের মুক্তির দাবিতে মানব বন্ধন। বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নানা কর্মসূচি পালন জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী কলেজে আলোচনা সভা, পুরস্কার ও দোয়া রায়পুরে জাতীয় শোক দিবসে নানা কর্মসূচি রাজধানীর উত্তরায় ওভার ব্রিজের গার্ডার ভেঙে পড়ে ৪ জনের করুণ মৃত্যু লক্ষ্মীপুরে সিএনজি  অটোরিকশার ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত।  লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির সমাবেশে ছাত্রলীগের হামলা।। সভাস্থল লন্ডবন্ড প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী স্কুল এন্ড কলেজের ছয় শিক্ষার্থী বহিষ্কার লক্ষ্মীপুরে জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে উপকূলীয় এলাকা  ফেসবুকে সরকার বিরোধী স্ট্যাটাস দেয়ায় ‍যুবক আটক  

লক্ষ্মীপুরে নতুন ঘর পেয়ে খুশিতে হাসছে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২১ জুলাই, ২০২২
  • ৭১ দেখা হয়েছে
p1-1.jpg
লক্ষ্মীপুরে নতুন ঘর পেয়ে খুশিতে হাসছে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার

লক্ষ্মীপুরে নতুন ঘর পেয়ে খুশিতে হাসছে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার

নিজস্ব প্রতিনিধি।

জেলার উপজেলায় ৩য় পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহার নতুন ঘর পেয়ে খুশিতে হাসছে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারগুলো ।এদিকে  রায়পুর ও রামগঞ্জ উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) সকাল সাড়ে   ১০টায় গণভবন থেকে সরাসরি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রায়পুর ও লক্ষ্মীপুরে ১৪৪২টি সহ সারা দেশে ২৬ হাজার ২শত ২৯টি গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারদের মধ্যে এসব বাড়ি হস্তান্তর করেন তিনি। এসময় রায়পুর সদর ও রামগতি উপজেলায় মোট ৪৩৬ টি ঘর বুঝিয়ে দেওয়া হয় আনুষ্ঠানিকভাবে।

মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে বিনা টাকায় ঘর উপহার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

৩য় পর্যায়ে রায়পুরসহ ৫টি উপজেলার ১৪৪২টি পরিবারের মাঝে ঘর প্রদান করা হবে। এর মধ্যে সদর ৩০০টি, রায়পুর ৩০০টি, রামগঞ্জ ১৯২টি, রামগতি ৩৯০টি ও কমলনগর ২৬০ পরিবার।

তবে রায়পুর ৩০০টি পরিবারের মধ্যে আজকের ৮৫টি পরিবারের হাতে ঘরের চাবি বুঝিয়ে দেওয়া হয়। নতুন ঘর পেয়ে তারা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তাঁর জন্য দোয়া করেন। তারা বলেন স্বাধীনতার পর আমরা পথে পথে ঘুরেছি। কেউ আমাদের আশ্রয় দেয়নি আজ বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই দিয়েছেন। আমরা দোয়া করি আল্লাহ্ যেন সারাজীবন তাঁকে বাঁচিয়ে রেখে আমাদের মত অসহায়দের সেবা করার সুযোগ দেন।

এসময় পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপক ফাতেমা খাতুন শিরিন  এর সঞ্চালনায় উপস্থিত বক্তব্য রাখেন, মেয়র গিয়াস উদ্দিন রুবেল ভাট, ইউএনও অনজন দাশ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এডঃ মারুফ বিন জাকারিয়া, সহকারি কমিশনার (ভূমি) রাসেল ইকবাল ও ওসি শিপন বড়ুয়াসহ সাংবাদিকবৃন্দ।

রায়পুরের ইউএনও অনজন দাশ জানান, ৩য় পর্যায়ে রায়পুরসহ জেলাতে ১৪৪২ পরিবারের মাঝে ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল । লক্ষ্মীপুরে দুই পর্বে ১৭৮৬টি ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রতিটি ঘর বাবদ খরচ হয়েছে ২ লাখ ৪১ হাজার টাকা। এসব ঘরে বিদুৎ, রাস্তা, স্যানিটারি, পানিসহ সব সুবিধার ব্যবস্থা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী রায়পুরে আশ্রয়ণ প্রকল্প-৩ এর আওতায় পরিবারদের মধ্যে নতুন ঘর উপহার দেওয়া হয়। ৩৬৪ পরিবারকে দেওয়া হয় নতুন এ বাড়ি। নতুন ঘর পাওয়া এসব ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষগুলোর চোখে মুখে এখন অনাবিল স্বপ্ন।

বাড়ি পাওয়ার আনন্দে রায়পুরের চরবংশি ইউপির চরকাছিয়া এলাকার ভূমিহীন নুরজাহান বেগমের চোখে ডেকেছে আনন্দ অশ্রুর বান। ঘর পেয়ে কেমন লাগছে, জিজ্ঞেস করায় নুরজাহান বলেন, ‘আমি সন্তানদের  নিয়ে বেরিবাঁধ জায়গায় কুঁড়েঘর তুলে থাকি। স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারিনি যে, আমি জমিসহ ইটের একখানা নতুন ঘর পাবো। শেখ হাসিনার সরকার আমাকে ইটের ঘর দিবেন। এই বয়সে ইটের ঘরে থাকতে পারবো। আমি ভীষণ খুশি হয়েছি ঘর পেয়ে। তার মত অন্যরাও শুধু ঘরই নয়, পাচ্ছেন নিজ নামে দুইশতক জমি, স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট, সুন্দর বারান্দা বসবাসের নিরাপদ সুবিধা।

রায়পুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা দিলিপ দে জানান, সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রতিটি ঘরের জন্য দুই শতাংশ খাসজমির বন্দোবস্তসহ দুই কক্ষের সেমিপাকা ঘর তৈরি করে দেওয়া হয়। এসব ঘরের প্রতিটিতে ১টি রান্না ঘর, টয়লেট ও সামনে খোলা বারান্দা রয়েছে। উপজেলার জন্য সম্প্রতি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের মাধ্যমে ‘ক’ ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত ভূমিহীন ও গৃহহীন ২য় পর্যায়ে ১৬৫টি পরিবারকে জমি ও ঘর নির্মাণের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ঘরগুলো হলো-উপজেলার দক্ষিন চরবংশি ইউপির চরলক্ষি কারিমিয়া এলাকার ৭০টি ও আদর্শগ্রাম-৪১টি, উত্তর চরবংশি ইউপির কুচিয়ামোরা-২২টি, চরমোহনা গ্রামে-২০টি, উত্তর চরআবাবিল ইউপির বন্ধুবাড়ি এলাকায়- ৩৪টি, কেরোয়ার ইউপির মিরগঞ্জ এলাকায়-৯টি, বামনী ইউপির শিবপুর এলাকায়-১০টি ও পালবাড়ি এলাকায়- ৯৪জন জমি ও ঘর পাচ্ছেন। মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৫ লাখ ৫০ হাজার এবং প্রতিটি গৃহনির্মানে ব্যায় হয়েছে এক লাখ ৭১ হাজার টাকা।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2021

Customized BY NewsTheme