1. admin@lakshmipurdiganta.com : dipu :
  2. mostaqlp@gmail.com : লক্ষ্মীপুর দিগন্ত : লক্ষ্মীপুর দিগন্ত
  3. shafaatmahmud4@gmail.com : Shafaat Mahmud : Shafaat Mahmud

মুসলিম দুনিয়ায় শান্তি ফিরিয়ে আনতে হলে পরিপূর্ণ ইসলাম পালনের বিকল্প নাই

  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ৩৭১ দেখা হয়েছে

মুসলিম দুনিয়ায় শান্তি ফিরিয়ে আনতে হলে পরিপূর্ণ ইসলাম পালনের বিকল্প নাই  –জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল

লক্ষ্মীপুর সংবাদদাতাঃ

জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মাছুম বলেছেন মুসলিম দুনিয়ায় শান্তি ফিরিয়ে আনতে হলে পরিপূর্ণ ইসলাম পালনের বিকল্প কোন পথ নাই। তিনি আজ শুক্রবার লক্ষ্মীপুর জেলা জামায়াত আয়োজিত ভার্সুয়ালী কর্মী সম্মেলনে প্রধান মেহমানের বক্তব্যে এ কথা বলেন।
জেলা আমীর মাস্টার এস ইউ এম রুহুল আমীন ভূইয়ার সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ মেহমান হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সূরা ও কর্ম পরিষদ সদস্য, ঢাকা মহানগরী সেক্রেটারি ডঃ মোহাম্মদ রেজাউল করিম, কুমিল্লা অঞ্চলের তত্বাবধায়ক ও কুমিল্লা মহানগরী আমীর অধ্যাপক দ্বীন মোহাম্মদ, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর এডভোকেট নজীর আহমদ, জেলা সেক্রেটারি এ আর হাফিজ উল্যাহ, এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোঃ নূর নবী প্রমূখ।
প্রধান মেহমান বলেন, ইসলামকে পরিপূর্ণ ভাবে মানার মধ্যে রয়েছে মুক্তি। ইসলামকে বাদ দিয়ে অন্য কোনো রীতি-নীতি চললে সেটা আল্লাহর কাছে গ্রহনযোগ্য হবে না। কুরআন মাজিদে আল্লাহ তায়ালা বলে দিয়েছেন, ইসলামকে বাদ দিয়ে কেউ যদি অন্য কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করে তা আল্লাহ তায়ালার নিকট গ্রহণ করা হবে না – সেটা অর্থনীতি, রাজনীতি, সমাজ নীতি যাই হোক। আমরা যারা মুসলিম হয়েছি দুনিয়ায় চলার জন্য আমাদেরকে ইসলামকে অনুসরণ করেই চলতে হবে। এখন যেভাবে ইসলামকে পালন করা হয় তা আল্লাহর কাছে কোনো ভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না। ইমানদারদের ইসলামকে পরিপূর্ণভাবে মানতে হবে। আংশিক ইসলাম আল্লাহর কাছে গ্রহনযোগ্য হবে না। জীবনের কোনো ক্ষেত্রে শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করা যাবে না। যারা আল্লাহর বাণিকে অস্বীকার করে কিছু ইসলাম পালন করেন আর কিছু করেন না, কিছু জাতীয়তাবাদ থেকে, কিছু ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ থেকে, কিছু ইসলাম থেকে মেনে অদ্ভুতধরনের মুসলমান রূপে সমাজে বসবাস করছেন। তাদের ব্যাপারে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, “তোমরা কিতাবের কিছু অংশ মানো আর কিছু অংশ মানো না।” কিছু ইসলাম মানো কিছু মানো না এ ধরণের চরিত্রের মুসলিমদের দুনিয়ার জীবনেও লাঞ্চনা আর পরকালেও কঠিন শাস্তিতে তাদেরকে আল্লাহ তায়ালা নিক্ষেপ করবেন। ফলে আমরা যদি আল্লাহর পাকড়াও থেকে রক্ষা পেতে চাই আমাদের পরিপূর্ণ ভাবে ইসলাম মানতে হবে। আংশিক ইসলাম পালন করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। সুতরাং আমাদেরকে পরিপূর্ণ ইসলামই পালন করতে হবে। বীরের জাতি মুসলমানরা একসময় সারা দুনিয়ায় নেতৃত্ব দিত আর আজকে তারা নেতৃত্বের আসন থেকে সরে গেছে, ইহুদি-খ্রীষ্টানরা আমাদের উপর দাদাগীরি করছে। এই অপমানকর জীবনের মূল কারণ হচ্ছে মুসলমানরা পরিপূর্ণ ইসলাম পালনের দায়িত্ব থেকে বিস্মৃত হয়ে গেছে। যার কারণে দুনিয়াতে আমাদেরকে এ শাস্তি ভোগ করতে হচ্ছে। ইসলামের দুশমনরা সারা দুনিয়ায় মুসলিমদের টার্গেট করে বেছে বেছে এ দেশগুলোতে সন্ত্রাস সৃষ্টি করছে, গণতন্ত্র নষ্ট করছে, শান্তি নষ্ট করছে, দ্বন্দ্ব সংঘাত সৃষ্টি করে মুসলিমদের দুনিয়া থেকে শেষ করে দেয়ার চেষ্টা করছে। এসবকিছু ইহুদি- খ্রিষ্টানদের মাষ্টারপ্ল্যান- ষড়যন্ত্রেরই অংশ। এটা মুসলমানদের জন্য বড় ধরনের শাস্তি দুনিয়াতে। আমাদের দেশের এক শ্রেনীর দালালদের দিয়ে তারা তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। এমতাবস্থায় পরিপূর্ণ ইসলাম পালনের মাধ্যমে মুসলমানদেরকে বেচে থাকতে হবে। তা না হলে আজাব এবং গজব গ্রাস করবে। এমতাবস্থায় হাদীসের আলোকে জমজ ভাইয়ের মত হচ্ছে ইসলাম এবং রাষ্ট্র শক্তির সম্পর্ক। একটি ছাড়া অন্যটি চলতে পারেনা। আর তাই ইসলাম রাষ্ট্র শক্তি ছাড়া চলতে পারেনা। রাষ্ট্র ইসলাম বাদ দিয়ে চললে তা জুলুম নির্যাতনের হাতিয়ার হয়ে দাড়ায়। তাই পরিপূর্ণভাবে ইসলাম মানতে হলে উপযুক্ত ক্ষেত্র হচ্ছে ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থা। এর অধীনেই নাগরিক সমাজ পরিপূর্ণভাবে ইসলাম পালন করতে পারে। জাতীয়তাবাদী সমাজ, সেকুলার সমাজ, পুজীবাদী সমাজ কোনো সমাজেই ইসলাম পালন করা যায় না। পাশ্চাত্য গোলামীর দুর্ভাগ্যজনক লাঞ্চণাকর অপমানকর জীবন থেকে বাচতে হলে একটি ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্র কায়েমের আন্দোলনে আমাদেরকে আমরণ সংগ্রাম করে যেতে হবে।

বিশেষ মেহমান ডঃ রেজাউল করিম তার বক্তব্যে বলেন, এ সমাজে আল্লাহর দাসত্ব ও গোলামীর পরিবর্তে মানুষকে গোলাম বানিয়ে যে অশান্তি ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে, আগুন ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে, সে আগুনকে নির্বাপিত করে একটি সুন্দর সভ্যতা বিনির্মানের জন্য আমরা ইসলামী আন্দোলন করি। আমাদের সংগ্রাম, ফাঁসি, অর্থ, ত্যাগ এবং শ্রম, ঘাম প্রতিটি জিনিসের লক্ষ্যই হচ্ছে আমরা এ জমিনে শান্তি কায়েম করতে চাই। যে শান্তির আভাস পৃথিবীতে ১ হাজার বছর পর্যন্ত কায়েম ছিল। আবার সেই শান্তি কায়েম করতে হলে ইসলামী আদর্শ পরিপূর্ণভাবে মেনে চলতে হবে।
সম্মেলনের সভাপতি এস ইউ এম রুহুল আমীন ভূইয়ার সমাপনী বক্তব্যে রাখেন।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2021

Customized BY NewsTheme