1. admin@lakshmipurdiganta.com : dipu :
  2. mostaqlp@gmail.com : লক্ষ্মীপুর দিগন্ত : লক্ষ্মীপুর দিগন্ত
  3. shafaatmahmud4@gmail.com : Shafaat Mahmud : Shafaat Mahmud
শিরোনাম :
রায়পুরে আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষের মুক্তির দাবিতে মানব বন্ধন। বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নানা কর্মসূচি পালন জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী কলেজে আলোচনা সভা, পুরস্কার ও দোয়া রায়পুরে জাতীয় শোক দিবসে নানা কর্মসূচি রাজধানীর উত্তরায় ওভার ব্রিজের গার্ডার ভেঙে পড়ে ৪ জনের করুণ মৃত্যু লক্ষ্মীপুরে সিএনজি  অটোরিকশার ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত।  লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির সমাবেশে ছাত্রলীগের হামলা।। সভাস্থল লন্ডবন্ড প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী স্কুল এন্ড কলেজের ছয় শিক্ষার্থী বহিষ্কার লক্ষ্মীপুরে জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে উপকূলীয় এলাকা  ফেসবুকে সরকার বিরোধী স্ট্যাটাস দেয়ায় ‍যুবক আটক  

লক্ষ্মীপুরে সাংবাদিক হত্যার দায়ে দুইজনের  ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড।

  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই, ২০২২
  • ৫৮ দেখা হয়েছে
p3-1.jpg
লক্ষ্মীপুরে সাংবাদিক হত্যার দায়ে দুইজনের  ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড।

লক্ষ্মীপুরে সাংবাদিক হত্যার দায়ে দুইজনের  ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড।

নিজস্ব প্রতিনিধি।
জেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সাংবাদিক শাহ মনির পলাশকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দুইজন কে দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয় লক্ষ্মীপুর আদালত
২৬ জুলাই ( মঙ্গলবার ) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোঃ রহিবুল ইসলাম এরায় ঘোষণা করেন। এসময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি এডভোকেট জসিম উদ্দিন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত শাহ মনির পলাশ (২৫) সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়নের মাছিমনগর গ্রামের কৃষক মনিরুল ইসলামের ছেলে। তিনি লেখাপড়ার পাশাপাশি সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত ছিলেন। তরুণ এই সাংবাদিক ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক রুপবাণী পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি ছিলেন। তখন তিনি লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের বিএ (ডিগ্রি) কোর্সের ফলপ্রার্থী ছিলেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হচ্ছে আবু ইউসুফ ও আবূ ছায়েদ। তারা দুই সহদর। তারা মাছিমনগর গ্রামের ফকির বাড়ির আখতারুজ্জামানের ছেলে। সম্পর্কে পলাশের চাচাতো ভাই।
আদালতের রায় পেয়ে সন্তুষ্ট নন নিহত পলাশের পরিবারের সদস্যরা। তারা রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাওয়ার কথা জানান।
মামলার এজহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি সকালে পলাশদের বাগানের গাছ কেটে নেওয়ার চেষ্টা করে তার দুই চাচাতো ভাই আবু ইউসুফ ও আবু ছায়েদ। এসময় তার বাবা মনিরুল ইসলাম অভিযুক্তদের বাঁধা দিতে গেলে তাদের সঙ্গে ঝগড়ায় জরিয়ে পড়েন। এসম নিহত পলাশের বাবাকে ইট নিক্ষেপ করে তার চাচাতো ভাইয়েরা। একপর্যায়ে তিনি ইটের আঘাতে মাটিতে লুটে পরে যান। এঘটনা দেখেই দৌড়ে গিয়ে বাবাকে মাটি থেকে তুলছিল পলাশ। এসময় হঠাৎ পেছন থেকে লাঠি দিয়ে পলাশের মাথায় আঘাত করা হয়। আঘাতে গুরুতর আহত হন পলাশ।
ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে উচ্চ চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠান। ঢাকায় নেওয়ার পথে তিনি রক্তবমি করলে তাকে নোয়াখালী হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকেও চিকিৎসকরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৫ ফেব্রুয়ারি ভোরে তার মৃত্যু হয়।
ঐদিন সন্ধ্যায় নিহত পলাশের বাবা মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে লক্ষ্মীপুর সদর থানায় আবু ইউসুফ, আবু ছায়েদ ও ফয়জুন্নেসাকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ঐমামলায় আবু ইউসুফ কারাগারে রয়েছেন এবং অপর আসামি জামিনে ছিলেন। একই বছরের ৭ অক্টোবর সদর থানা পুলিশ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত আবূ ইউসুফ ও আবু ছায়েদকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার তৃতীয় আসামি ফয়জুননেসা বেগমের বিরুদ্ধে সম্পৃক্ততার প্রমাণ না পাওয়ায় তাকে মামলা হতে অব‍্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করেন।
আদালত তদন্তকারী কর্মকর্তার প্রতিবেদন ও ১৩জন সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এ রায় দেন।
আদালতের রায় ঘোষণার পর সাংবাদিক পলাশের বাবা মনিরুল ইসলাম বলেন, রায়ে আমরা সন্তুষ্ট হতে পারিনি। আমার ছেলেকে প্রকাশ‍্য পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আর হত্যাকারীদের ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আমরা রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করব।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2021

Customized BY NewsTheme