1. admin@lakshmipurdiganta.com : dipu :
  2. mostaqlp@gmail.com : লক্ষ্মীপুর দিগন্ত : লক্ষ্মীপুর দিগন্ত
  3. shafaatmahmud4@gmail.com : Shafaat Mahmud : Shafaat Mahmud

রায়পুর কৃষি অফিসে পনেরোটি গাছের নিলাম ডেকে বেশি গাছ কাটার অভিযোগ ।

  • আপডেট সময় রবিবার, ৫ জুন, ২০২২
  • ৫৯ দেখা হয়েছে
কৃষি-অফিসের-গাছ-কাটার-ছবি-৫.jpg
কৃষি অফিসের গাছ কাটার ছবি

রায়পুর কৃষি অফিসে পনেরোটি গাছের নিলাম ডেকে বেশি গাছ কাটার অভিযোগ ।

রায়পুর প্রতিনিধি।

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা কৃষি অফিসের নতুন ভবনের চারপাশে পনেরোটি গাছের নিলাম ডেকে ২৮ টি গাছ কাটার অভিযোগ পাওয়া যায় উপজেলা কৃষি অফিসারের বিরুদ্ধে।

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে যে, কৃষি অফিসের নতুন ভবনের প্রাচীর নির্মাণে বাঁধা হিসেবে চারপাশের চিহ্নিত ১৫ টি গাছ রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনজন দাস গাছ নিলাম কমিটির সভাপতি হিসেবে গত ২০ মার্চ ২০২২, প্রকাশ্য নিলাম ডাক আহ্বান করেন। গাছগুলোর মধ্যে রয়েছে, রেনট্রি -৬টি, মেহগনি -৬টি ও কদম তিনটি । সর্বোচ্চ নিলাম ধরদাতা হিসেবে ৮২হাজার ৯৬৬ টাকায় ইব্রাহিম নিলাম পায়। কিন্তু ইব্রাহিম বলেন, নিলামের ঐ পনেরোটি গাছ পরে রুহুল আমীন নামের এক ব্যক্তির কাছে ৯৮ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করেন। রুহুল আমীন নিলামের মার্ককৃত ঐ গাছ কাটার সময় আরও ১৩টি গাছ বেশি কেটে ফেলে । যার বতর্মান মূল্য আনুমানিক প্রায় ৭০ হাজার টাকা হবে বলে জানা গেছে।

অতিরিক্ত গাছ কর্তনের বিষয়ে গাছ কমিটির সভাপতি রায়পুর উপজেলা ইউএনও অনজন দাস বলেন,” আমি পনেরো টি গাছের নিলাম দিয়েছি, বাড়তি গাছ কেন কাটছে এ বিষয়ে আমার জানা নেই। কোন অনিয়মের অভিযোগ পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঠিকাদার রুহুল আমীন জানান, আমি ৯৮ হাজার পাঁচশত টাকায় পনেরো টি গাছ কিনেছি। কাটতে গিয়ে কয়েকটি গাছ ভেঙে গেছে। পনেরোটি গাছের অতিরিক্ত ভাঙা গাছগুলো পরে ঠিকাদার ইব্রাহিম কেটেছে। আমি পনেরোটির বেশি গাছ কাটিনি এ বিষয়ে ঠিকাদার ইব্রাহিম ও কৃষি অফিসার বলতে পারবে তবে গাছগুলো এখন কৃষি অফিসের হেফাজতে আছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তহমিনা খাতুন বলেন,” পনেরো টি গাছ ৮৪হাজার টাকায় নিলাম দেওয়া হয়। ব্যাট আই টিসহ ঠিকাদার আমাদেরকে ৯৭ হাজার টাকা পে করে। ঠিকাদার গাছ কাটতে গিয়ে কিছু গাছ ভেঙে ফেলছে। ভাঙা গাছগুলো আমরা লোক দিয়ে কাটিয়ে আমাদের গোডাউনে রেখে দিয়েছি। জুন ক্লোজিনের ব্যস্ততার কারণে নতুন করে নিলাম দিতে পারিনি। তবে জুনের মধ্যে সময় সুযোগ করে অতিরিক্ত ভাঙা গাছগুলো নতুন করে নিলাম ডেকে বিক্রি করা হবে।”

উপজেলা বন বিভাগের কর্মকর্তা চন্দ্র ভৌমিক বলেন,” পনেরো টি গাছের টেন্ডার দেওয়া হয়েছে কিন্তু বেশি গাছ কেন কাটছে সে বিষয়টি আমার জানা নেই? কারণ, ঐ গাছগুলো কৃষি অফিসের। ওখানে আমাদের কোন হাত নেই। বেশী গাছ কর্তনের বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার বলতে পারবেন।”

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2021

Customized BY NewsTheme