1. admin@lakshmipurdiganta.com : dipu :
  2. mostaqlp@gmail.com : লক্ষ্মীপুর দিগন্ত : লক্ষ্মীপুর দিগন্ত
  3. shafaatmahmud4@gmail.com : Shafaat Mahmud : Shafaat Mahmud

ডা. ফয়েজ ছিলেন লক্ষ্মীপুরের সম্পদ

  • আপডেট সময় সোমবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৩৮১ দেখা হয়েছে

 

লক্ষ্মীপুর দিগন্ত ডেস্ক :

বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেয়ার পাশাপাশি সাধ্যমত গরীব, দুঃখী ও এতিমদের সাহায্যকারী চিকিৎসকদের কথা উঠলেই ডা. ফয়েজ আহমদের কথা স্মরণ করে লক্ষ্মীপুরবাসী। নিজের কর্মগুণ, মানবিকতা ও আচরণে দলমত নির্বিশেষে সকল মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিতে সক্ষম হওয়া লক্ষ্মীপুরের এই কৃতি সন্তান ২০১৩ সালের ১৩ ডিসেম্বর, নির্মম হত্যাযজ্ঞের শিকার হন। জনপ্রিয় এই ব্যক্তিত্বের স্মৃতি লক্ষ্মীপুরের মানুষকে আজও কাঁদায়।

 

ডা. ফয়েজ আহমদ ১৯৪৬ সালে ল565ক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার লামচর ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে তিনি ১৯৬৭ সালে রাজধানী ঢাকার একটি স্কুল থেকে মাধ্যমিক, ১৯৬৯ সালে জগন্নাথ কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং নারায়ণগঞ্জের তোলারাম কলেজ থেকে বিএ (ডিগ্রী) পাশ করেন। এরপর লাহোরের কিং অ্যাডওয়ার্ড মেডিকেল কলেজ থেকে ১৯৭৯ সালে এমবিবিএস পাশ করে ডাক্তারি পেশায় মনোনিবেশ করেন।

 

১৯৮৭ সালে জন্মভূমি ও মানুষের টানে স্বপরিবারে লক্ষ্মীপুরে ফিরে আসেন ডা. ফয়েজ। এরপর থেকে মৃত্যুর আগমুহুর্ত পর্যন্ত মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন তিনি।

 

জানা গেছে, পেশায় চিকিৎসক এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের দিক থেকে ডা. ফয়েজ আহমদ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার নায়েবে আমীর ছিলেন। কিন্তু ব্যক্তি হিসেবে তিনি ছিলেন দলমতের ঊর্ধ্বে সবার প্রিয় একজন মানুষ। ব্যক্তি, পারিবারিক ও রাজনৈতিক জীবনে সফল এই মানুষটির ইসলামী আদর্শের জীবনযাপন আকর্ষণীয় ছিল।

 

লক্ষ্মীপুর শহরের উপকণ্ঠে নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুর-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে বাসা হওয়ার কারণে ডা. ফয়েজের চেম্বারে দুস্থ, অসহায় ও দরিদ্র শ্রমিকদের আনাগোনা ছিল সবচেয়ে বেশি। যদিও তিনি ছিলেন সর্বমহলে শ্রদ্ধা ও সম্মানের পাত্র। রাজনীতির মারপ্যাঁচে তিনি নির্মম হত্যাযজ্ঞের শিকার হন, আর লক্ষ্মীপুরবাসী হারায় অমূল্য সম্পদ।

 

লক্ষ্মীপুর জেলা জামায়াতের আমীর এস ইউ এম রুহুল আমিন ভূঁইয়া বলেন, “২০২১ সালের ১৩ ডিসেম্বর শহীদ ডা. ফয়েজ আহমদের ৮ম মৃত্যু বার্ষিকী। ২০১৩ সালের এইদিনে তুচ্ছ স্বার্থ উদ্ধারে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ তাঁকে নির্মম হত্যাযজ্ঞের শিকার করে। তাঁর নিজস্ব ভবনের গেইট ভেঙে বাসভবনে ভাঙচুর, লুটপাট এবং এক পর্যায়ে তাঁকে গুলি করে হত্যার পর চারতলার ছাদ থেকে নিচে ফেলে দেয়া হয়।”

 

তিনি আরও বলেন, “ডা. ফয়েজ আহমদ ছিলেন লক্ষ্মীপুরের সম্পদ। তাঁর কর্মগুণ, আচরণ ও মানবিকতা দলমত নির্বিশেষে সকল শ্রেণিপেশার মানুষকে মুগ্ধ করেছে। অমায়িক এই ব্যক্তিত্বের স্মৃতি আজও কাঁদায় লক্ষ্মীপুরবাসীকে।”

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2021

Customized BY NewsTheme